1. [email protected] : Masumasian :
  2. [email protected] : News Editing : News Editing
শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন

কানাডা বাংলাদেশে চলমান পরিবেশ এবং জলবায়ু সহযোগিতা জোরদার করবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট এর সময় : সোমবার, ১ জুলাই, ২০২৪
  • ১৩ বার পঠিত হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক – পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, কানাডা বাংলাদেশে চলমান পরিবেশ এবং জলবায়ু সহযোগিতা জোরদার করবে। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বাংলাদেশ-কানাডা একযোগে কাজ করবে।

মন্ত্রী এসময় জ্ঞান বিনিময়, কারিগরি সহায়তা এবং যৌথ প্রকল্পের সম্ভাবনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

পরিবেশমন্ত্রী সোমবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলসের সঙ্গে সাক্ষাতকালে এসব কথা বলেন।

বৈঠকে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমন এবং অভিযোজন নিয়ে আলোচনা করা হয়। উভয় পক্ষ পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার এবং টেকসই ভবিষ্যতের জন্য যৌথ প্রচেষ্টা এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি জোরদার করে।

 

সাবের হোসেন চৌধুরী এ সময় জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা এবং মুজিব ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যানসহ জলবায়ু এজেন্ডা বাস্তবায়নে একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বাংলাদেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের গ্রাউন্ড জিরো হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বৈশ্বিক সংহতি ও সহানুভূতির গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

পরিবেশমন্ত্রী ব্লকচেইন, আইওটি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বিকল্প জলবায়ু প্রযুক্তির মতো ফ্রন্টিয়ার প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। এ উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নের জন্য একটি কার্যকরী দল গঠন এবং এমসিপিপিতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি।

 

তিনি কানাডা-বাংলাদেশ জলবায়ু অংশীদারিত্ব এবং ভবিষ্যতের প্রকল্পগুলোতে প্রতিনিধিত্বের আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় হাইকমিশনার লিলি নিকোলস জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতার জন্য কানাডার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন, সহায়তার পুনরাবৃত্তি এড়াতে খাতভিত্তিক কর্মকাণ্ডের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

তিনি বলেন, কানাডা প্রযুক্তি, গবেষণা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং যুব কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং অংশীদারিত্ব বাড়াতে চায়। তিনি প্রযুক্তি স্থানান্তর, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং অভিযোজন প্রকল্পগুলোর মতো অগ্রাধিকারগুলো উল্লেখ করেন।

 

কানাডার হাইকমিশনার চিকিৎসা ও ই-বর্জ্য মোকাবিলা এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা শেষ করার দিকে এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি বাংলাদেশের জলবায়ু উদ্যোগগুলোর জন্য কানাডার সমর্থন এবং পরিবেশগত স্থিতিশীলতার জন্য তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকটি উভয় পক্ষের শক্তিশালী এবং ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করার এবং পরিবেশগত ও জলবায়ু বিষয়গুলোতে অব্যাহত সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশের মাধ্যমে শেষ হয়।

দয়া করে পোস্টটি আপনার স্যোসাল মিডিয়া শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Customized BY LatestNews